মো. ইসমাইলুল করিম নিজস্ব প্রতিবেদক:
যথাযোগ্য মর্যাদা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পার্বত্য জেলার বান্দরবানের লামায় ফাইতং ইউনিয়ন খেদারবাঁধ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আয়োজনে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত হয়েছে। সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বিদ্যালয় হল রুমে বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ মহামানব, বিশ্বমানবতার মুক্তির দিশারী, বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সা.)-এর জন্ম এবং ওফাতের পবিত্র স্মৃতি বিজড়িত ১২ রবিউল আউয়াল তথা ‘ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)’। দিবসটি উপলক্ষে বিদ্যালয়ে প্রাঙ্গণে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর জীবনীর ওপর আলোচনা সভা, কেরাত,হামদ-নাত, রচনা, কুইজ প্রতিযোগিতা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠান হয়েছে। আলোচনা সভায় খেদারবাঁধ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ মাস্টার শফি সভাপতিত্বে অংশ নেন, মোনাজাতে হাফেজ শওকতুল ইসলাম, অন্যদিকে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ হোসাইন, সহকারী শিক্ষক বজলুল করিম বাহাদুর, সহকারী শিক্ষিকা তফুরা খানম, নুরে জন্নাত তানিয়া, সাংবাদিক মো. ইসমাইলুল করিম নিরব, সহকারী শিক্ষিকা সীমা বিশ্বাস, মো. জাকির হোসেন, মাহ্ফুজ করিম জাহিদ, মো.জাহাঙ্গীর, মো. হারুন, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি সাবেক সদস্য,শফিকুল ইসলাম সপন ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য এবং বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা সহ প্রমূখ। আলোচনা সভায় বিদ্যালয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতিযোগিতায় বিজয়দের পুরুষ্কার বিতরণ করা হয়। সভায় বক্তারা বলেন, মহানবী হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা (সা.) ছিলেন বিশ্বমানবতার জন্য আল্লাহর সর্বশ্রেষ্ঠ অনুগ্রহ। তার জীবনদর্শনে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্র জীবনের সর্বোত্তম ও পরিপূর্ণ আদর্শ নিহিত রয়েছে। সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠায় প্রিয়নবীর প্রতি যেমন সর্বোচ্চ ভালোবাসা লালন করতে হবে তেমনি তার সুমহান আদর্শ অনুসরণ, চর্চা ও প্রচার-প্রসারে সবাইকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি ন্যায়ভিত্তিক শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল সমাজ ও রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে অনুসরনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। এদিকে একই দিন লামা উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের নেতৃত্বে দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে জানা গেছে।